দেহাভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?
-
ক
রক্তে হেপারিন থাকায়
-
খ
রক্ত চলাচলের জন্য
-
গ
মাংস পেশীর ক্রিয়ায়
-
ঘ
জারণ ক্রিয়ায়
দেহের কোথাও ক্ষত সৃষ্টির ফলে কোনো রক্তবাহিকার এন্ডোথেলিয়াম ক্ষতিগ্রস্থ হলে রক্তপাত বন্ধের উদ্দেশে ও সংক্রমণ প্রতিরোধে যে জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ফাইব্রিন জালক সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষতস্থানে রক্তকে থকথকে পিণ্ডে পরিণত করে সে প্রক্রিয়াকে রক্তের জমাট বাঁধা বা রক্ত তঞ্চন বলে । এ প্রক্রিয়ায় অণুচক্রিকা ও রক্তরসে অবস্থিত ১৩ ধরনের ক্লটিং ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।
ফ্যাক্টরগুলো নাম নিম্নরূপ :
• ফ্যাক্টর-I বা ফাইব্রিনোজেন
• ফ্যাক্টর-II বা প্রোথ্রম্বিন
• ফ্যাক্টর-III বা থ্রম্বোপ্লাস্টিন
• ফ্যাক্টর-IV বা ক্যালসিয়াম আয়ন
• ফ্যাক্টর-V বা ল্যাবাইল ফ্যাক্টর বা প্রোঅ্যাকসেলারিন
• ফ্যাক্টর-VI বা অ্যাকসেলারিন
• ফ্যাক্টর-VII বা স্টেবল ফ্যাক্টর বা প্রোকনভারটিন
• ফ্যাক্টর-VIII বা অ্যান্টিহিমোফিলিক ফ্যাক্টর (AHF)
• ফ্যাক্টর-IX বা ক্রিস্টমাস ফ্যাক্টর
• ফ্যাক্টর-X বা স্টুয়ার্ট ফ্যাক্টর
• ফ্যাক্টর-XI বা প্লাজমা থ্রম্বোপ্লাস্টিন
• ফ্যাক্টর-XII বা হ্যাগম্যান ফ্যাক্টর
• ফ্যাক্টর-XIII বা ফাইব্রিন স্টেবিলাইজিং ফ্যাক্টর
বেসোফিল হেপারিন নিঃসরণ করে রক্তকে রক্তনালির মধ্যে জমা বাঁধতে বাধা প্রদান করে ।
রক্ত জমাট বাঁধা বা রক্ত তঞ্চন (Blood Clotting):
যে প্রক্রিয়ায় ক্ষতস্থান থেকে নির্গত হওয়া রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেন আলাদা হয়ে ক্ষতস্থানে জালক নির্মাণের মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে ফলে রক্তের অবশিষ্টাংশ থকথকে পিত্তে পরিণত হয় সে প্রক্রিয়ার নাম রক্ত তঞ্চন বা রক্তের জমাট বাঁধা।
রক্তবাহিকার অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না, কারণ সেখানে হেপারিন (heparin) নামে এক পদার্থ সংব হয়। কিন্তু দেহের কোনও অংশে ক্ষত সৃষ্টি হলে রক্ত যখন দেহের ক্ষত অংশ থেকে বের হতে থাকে তখন ঐ অনে অণুচক্রিকাগুলো বাতাসের সংস্পর্শে ভেঙ্গে যায় এবং ক্ষতের মুখে রক্ত জমাট বাঁধিয়ে রক্তপাত বন্ধ করে। ব্রুক্তরসে অবস্থিত ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টর (clotting factor) রক্ত তঞ্চনে অংশ নেয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি ফ্যাক্টর হলো-
ক. ফাইব্রিনোজেন,
খ.প্রোথ্রম্বিন,
গ. থ্রম্বোপ্লাস্টিন ও
ঘ. Ca++
এগুলোর ধারাবাহিক কার্যকারিতার ফলে ক্ষতস্থানে রক্ত জমাট বাঁধে। সংক্ষেপে রক্ত জমাট বাঁধার কৌশলটি তুলে ধরা হলো-
১.দেহের কোন অংশে ক্ষত সৃষ্টি হলে সেখান থেকে নির্গত রক্তের অনুচক্রিকাগুলো বাতাসের সংস্পর্শে এসে ভেঙ্গে যায় এবং প্রস্বোপাস্টিন
(thromboplastin; ক্লটিং ফ্যাক্টর) নামক প্লাজমা প্রোটিন উৎপন্ন হয়।
২.থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তের হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্তরসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিন (prothrombin) নামক গ্লাইকোপ্রোটিনের সাথে ক্রিয়া করে সক্রিয় থ্রম্বিন (thrombin) এনজাইম (ক্লটিং ফ্যাক্টর) উৎপন্ন করে।
৩.থম্বিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন (fibrinogen; ক্লটিং ফ্যাক্টর I) নামক দ্রবণীয় প্লাজমা প্রেটিনের সাথে মিলে ফাইব্রিন (fibrin) নামক অদ্রবণীয় প্রোটিন সূত্রের সৃষ্টি করে। এভাবে সৃষ্ট সূত্রগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে জালকের আকার ধারণ করে।
৪.ফাইব্রিনের জালকে লোহিত রক্তকণিকাগুলো আটকে যায়। ফলে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয় এবং রক্ত জমাট বেঁধে যায় (মানুষে রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক সময় ৪-৫ মিনিট)।
সিরামঃ জমাট বাঁধা রক্ত থেকে যে হালকা হলুদ বর্ণের তরল জলীয় অংশ বেরিয়ে আসে তাকে রক্তের সিরাম (serum) বলে। সিরাম বস্তুতপক্ষে রক্তরস, তবে এতে ফাইব্রিনোজেন থাকে না।
Related Question
View All-
ক
হেপারিন
-
খ
হিস্টামিন
-
গ
থ্রম্বোপ্লাস্টিন
-
ঘ
সেরোটনিন
-
ক
ফাইব্রিনোজেন
-
খ
প্রোথ্রম্বিন
-
গ
ক্যালসিয়াম আয়ন
-
ঘ
অ্যালবুমিন
-
ক
ভিটামিন-D
-
খ
ভিটামিন-E
-
গ
ভিটামিন-K
-
ঘ
ভিটামিন-A
-
ক
সেরোটোনিন
-
খ
হেপারিন
-
গ
থ্রম্বোপ্লাস্টিন
-
ঘ
হিস্টামিন
-
ক
ইনসুলিন
-
খ
ফাইব্রিনোজেন
-
গ
থ্রম্বোপ্লাস্টিন
-
ঘ
প্রোথ্রম্বিন
-
ক
Lymphocyte
-
খ
Besophil
-
গ
monocyte
-
ঘ
neutrophyil
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন